প্রচ্ছদ খেলাধুলা নারী বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের দুই আম্পায়ার

নারী বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের দুই আম্পায়ার

পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য নারীদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে আম্পায়ারিংয়ে নতুন দিগন্তে পা রাখতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের দুই আম্পায়ার—মাসুদুর রহমান মুকুল এবং সাথিরা জাকির জেসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত মুখ মুকুলের সঙ্গে প্রথমবারের মতো আইসিসির ইভেন্টে সুযোগ পেয়েছেন জেসি। নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বকে সামনে রেখে ১০ জন আম্পায়ার ও তিনজন ম্যাচ রেফারির তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সেখানে বাংলাদেশের গর্ব হিসেবে যুক্ত হয়েছে দুইজন আম্পায়ারের নাম—মাসুদুর রহমান মুকুল এবং সাথিরা জাকির জেসি।

স্বাগতিক পাকিস্তানের হয়ে আম্পায়ার প্যানেলে থাকবেন ফয়সাল খান আফ্রিদি ও সালিমা ইমতিয়াজ। এছাড়া জিম্বাবুয়ের সারাহ ডাম্বানেভানা, অস্ট্রেলিয়ার ডোনোভান কচ, দক্ষিণ আফ্রিকার বেবস গকুমা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্যান্ডেস লা বোর্ড, শ্রীলঙ্কার দেদুনু দে সিলভা ও নিউজিল্যান্ডের শন হেইগ থাকছেন আম্পায়ার হিসেবে। ম্যাচ রেফারি হিসেবে থাকবেন পাকিস্তানের আলি নাকভি, দক্ষিণ আফ্রিকার শান্দ্রে ফ্রিৎস ও নিউজিল্যান্ডের ট্রুডি অ্যান্ডারসন। এ বছরের অক্টোবরে ভারতে শুরু হচ্ছে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা—এই ছয় দল সরাসরি বিশ্বকাপ খেলার টিকিট কেটেছে। পাকিস্তানের মাটিতে আগামী ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে ৬টি দল অংশ নেবে। রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে শীর্ষ দুই দল পাবে বিশ্বকাপের মূলপর্বের টিকিট।

আর এই গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে মাঠের বিচারকের ভূমিকায় থাকবেন মুকুল ও জেসি। মাসুদুর রহমান মুকুল এর আগেও আইসিসির বিভিন্ন ইভেন্টে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২০ এবং ২০২৪ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তার আম্পায়ারিং দক্ষতা সবার নজর কেড়েছে। তবে সাথিরা জাকির জেসির জন্য এটি হবে প্রথম আইসিসি ইভেন্ট। এর আগে নারীদের এশিয়া কাপে আম্পায়ারিংয়ের অভিজ্ঞতা থাকলেও, বিশ্বমঞ্চে তার উপস্থিতি এবারই প্রথম। এই টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করবেন দুইজন আম্পায়ার—ফয়সাল খান আফ্রিদি এবং সালিমা ইমতিয়াজ। ২০২৪ সালে আইসিসির ডেভেলপমেন্ট আম্পায়ারদের আন্তর্জাতিক প্যানেলে যুক্ত হয়ে প্রথম নারী আম্পায়ার হিসেবে ইতিহাস গড়েন সালিমা। এবার নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও তার নাম যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের দুইজন আম্পায়ারের এই অর্জন নিঃসন্দেহে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গর্বের অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হলো।